নিজস্ব প্রতিবেদক | বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশের তারিখ: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আপডেটের তারিখ: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা: চলতি সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই বহুল প্রতীক্ষিত ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে দেশের সব ইউনিয়নে একসঙ্গে ভোট না নিয়ে সরকারের ব্যয় সংকোচন নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধাপে ধাপে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।
তিনি জানান, দেশজুড়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের যে প্রস্তুতি ও পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তার অংশ হিসেবে চলতি মাসের শেষ নাগাদ ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হবে। তবে প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় দেশের সব ইউনিয়নে একই সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা কঠিন। তাই ধাপে ধাপে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময় বিবেচনায় ভোট
ইউপি নির্বাচনের সময় নির্ধারণের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ও শিক্ষার পরিবেশকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান নির্বাচন কমিশনার।
তিনি বলেন, আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাস শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সময়। দেশের অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং শিক্ষকরা প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেন।
এ কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার সময় বিবেচনায় নিয়ে পরীক্ষার আগে অথবা পরে ইউপি নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে বলে জানান তিনি।
ভোটার স্থানান্তর নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করার আহ্বান
ভোটার স্থানান্তর প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। তিনি জানান, ভোটার স্থানান্তর একটি স্বাভাবিক ও নিয়মিত প্রক্রিয়া। এটিকে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে পরিচালিত কার্যক্রম হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
ভুল বোঝাবুঝি ও অনিয়ম এড়াতে নির্বাচন কমিশন ভোটার স্থানান্তরের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। নির্ধারিত নিয়ম ও সময়ের মধ্যে ভোটাররা এ সুযোগ নিতে পারবেন।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রাজনীতি নিয়েও ইসির অবস্থান
এদিকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিষয়েও কমিশনের নেতিবাচক অবস্থানের কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার।
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কী ধরনের বিধি বা নির্দেশনা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নিরাপত্তা ও প্রযুক্তির ব্যবহার
আসন্ন উপ-নির্বাচনগুলোতে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ব্যবস্থা ব্যবহারের পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোকে কঠোর নিরাপত্তার আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানান কমিশনার।
নির্বাচনকে আরও সুষ্ঠু, নিরাপদ ও গ্রহণযোগ্য করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: নির্বাচন কমিশন (ইসি)














