Home সারাদেশ হার্ডিঞ্জ ব্রিজে বাল্কহেডের ধাক্কায় নিখোঁজ ছাত্রদল নেতার লাশ ৩৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার

হার্ডিঞ্জ ব্রিজে বাল্কহেডের ধাক্কায় নিখোঁজ ছাত্রদল নেতার লাশ ৩৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার

0
6
হার্ডিঞ্জ ব্রিজে বাল্কহেডের ধাক্কায় নিখোঁজ ছাত্রদল নেতার লাশ ৩৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আপডেটের তারিখ: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক | বিডি ভিউজ বাংলা

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে নৌকাভ্রমণে গিয়ে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারের সঙ্গে বাল্কহেডের ধাক্কায় নিখোঁজ ছাত্রদল নেতা রাকিবুজ্জামান রকির (৩৫) লাশ ৩৭ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে পদ্মা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ ও স্বজনেরা।

নিহত রাকিবুজ্জামান রকি ঝিনাইদহের শৈলকুপা পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব ছিলেন।

এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে ভেড়ামারার হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ৪ নম্বর পিলারের সঙ্গে ১৩০ জন যাত্রী বহনকারী একটি বাল্কহেডের ধাক্কা লাগে। এতে তিন যাত্রী নদীতে পড়ে যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঝিনাইদহের শৈলকুপার কাতলাগাড়ী ঘাট থেকে ১৩০ জন দর্শনার্থী বাল্কহেডযোগে ভেড়ামারার সোলাইমান শাহ মাজারে বেড়াতে আসেন। মাজার দর্শন শেষে রাতে ফেরার পথে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কাছে পৌঁছালে পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতে বাল্কহেডটি ৪ নম্বর পিলারের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়।

এ সময় রকি, লিটন ও ওহাব নামের তিন যাত্রী নদীতে পড়ে যান। স্থানীয়দের সহায়তায় তাৎক্ষণিকভাবে লিটন ও ওহাবকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও প্রবল স্রোতে রকি নিখোঁজ হন।

খবর পেয়ে খুলনা থেকে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচ সদস্যের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়। তবে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের আশপাশে নদীর প্রবল স্রোত ও পানির গতির কারণে প্রাথমিক উদ্ধার কার্যক্রম ব্যাহত হয়।

লক্ষীকুণ্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শহিদুল ইসলাম ও ভেড়ামারা থানার ওসি মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান জানান, রোববার সকাল ১০টার দিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে রাকিবুজ্জামান রকির লাশ উদ্ধার করা হয়।

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিরুল আরাফাত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ৩৭ ঘণ্টার টানা প্রচেষ্টা ও নজরদারির পর রোববার সকালে নিখোঁজ রকির লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

সূত্র: জেডএম

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here