ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা এখনো সচল: আইআরজিসি
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশের তারিখ: ৪ অক্টোবর ২০২৬
আপডেটের তারিখ: ৪ অক্টোবর ২০২৬
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও অস্ত্র উৎপাদনের সরবরাহব্যবস্থা এখনো সম্পূর্ণ সচল রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) অ্যারোস্পেস ফোর্সের কমান্ডারের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী বালালি। প্রয়োজন হলে দীর্ঘ সময় যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতাও ইরানের রয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি।
শনিবার (৩ অক্টোবর) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বক্তব্যে এসব কথা বলেন আলী বালালি।
তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কোনো খাত নিয়েই ইরানের উদ্বেগ নেই। ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে প্রয়োজনীয় সব উপাদান দেশেই উৎপাদন করা হয় এবং প্রয়োজন হলে এসব উপাদান রপ্তানিও করা সম্ভব।
বালালি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়ন ও নতুন প্রযুক্তি যুক্ত করার ক্ষেত্রে ইরান নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং সামরিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তার ওপর নির্ভর করে। তার দাবি, এই খাতে ইরান এমন সক্ষমতা অর্জন করেছে যে এখন আর বিদেশি সহায়তার প্রয়োজন নেই।
তার ভাষ্য, ইরান নিজস্ব প্রযুক্তিতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার নকশা ও উৎপাদন করে। সামরিক অভিযানের প্রয়োজনীয়তাও বিবেচনায় নেওয়া হয়। এ কারণে নিয়মিত নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করছে দেশটি।
বালালির এই বক্তব্য এমন সময়ে এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর মার্কিন অর্থ দপ্তর ইরানের অস্ত্র ও অস্ত্রের উপাদান সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে বিভিন্ন দেশে থাকা ১০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
তবে ইরানি কর্মকর্তার দাবি, এসব চাপের মধ্যেও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের প্রয়োজনীয় উপাদান ও সরবরাহব্যবস্থা সচল রয়েছে। এর আগে ইরানও একাধিকবার নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর দাবি করেছে।
তবে ইরানের অস্ত্রভাণ্ডার ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন অবকাঠামোর বর্তমান সক্ষমতা বা সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সূত্র: ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম, দৈনিক ইত্তেফাক













