Home আন্তর্জাতিক আমার মতো মানুষকে তারা নোবেল দেয় না, ট্রাম্পের আক্ষেপ

আমার মতো মানুষকে তারা নোবেল দেয় না, ট্রাম্পের আক্ষেপ

0
8
আমার মতো মানুষকে তারা নোবেল দেয় না, ট্রাম্পের আক্ষেপ

‘নোবেল শান্তি পুরস্কার এবার তাঁরই প্রাপ্য’: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক নিউজডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশ: ৮ অক্টোবর ২০২৬

ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়ানো এবং ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারার মধ্যেই ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার নিজের প্রাপ্য বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

বুধবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, আগামী শুক্রবার নরওয়ের নোবেল কমিটি ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার ঘোষণা করবে। তবে শেষ পর্যন্ত কে এই পুরস্কার পাবেন, তা তিনি জানেন না।

ট্রাম্প বলেন, ‘তারা কী সিদ্ধান্ত নেবে, আমি জানি না। তবে এমন একটা সুনাম আছে যে, আমার মতো মানুষকে তারা হয়তো পুরস্কার দেয় না।’

দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার বিষয়ে নিজের আগ্রহের কথা বলে আসছেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, গতবারও তিনি পরোক্ষভাবে অত্যন্ত সম্মানিত হয়েছিলেন।

২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো গত জানুয়ারিতে তাঁর নোবেল পদক ট্রাম্পের হাতে তুলে দেন। ভেনেজুয়েলায় নিজের রাজনৈতিক প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে তিনি পদকটি ট্রাম্পকে দেন।

ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন, দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি আটটি সংঘাতে হস্তক্ষেপ করেছেন। কম্বোডিয়া, ইসরাইল ও পাকিস্তানের নেতারা তাঁকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন দিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এসব মনোনয়নের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করার সুযোগ নেই।

ট্রাম্প যেসব সংঘাতের সমাধানে নিজের ভূমিকার কথা তুলে ধরেছেন, সেগুলোর কয়েকটির পক্ষ তাঁর কূটনৈতিক ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র এবং কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ড সীমান্তের মতো এলাকাতেও পরবর্তী সময়ে আবার উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।

এদিকে ইউক্রেনে রাশিয়ার চলমান যুদ্ধ বন্ধেও এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে পারেনি ট্রাম্প প্রশাসন। অথচ দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই যুদ্ধ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি।

অন্যদিকে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপের কারণে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও গভীর হয়েছে। এর প্রভাব বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও জ্বালানির দামের ওপরও পড়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে পোপ লিও, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডবিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিবেদকের নাম আলোচনায় রয়েছে।

সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here