নিজস্ব প্রতিবেদক | বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২৬
আগামী সপ্তাহের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি শীর্ষ প্রতিষ্ঠানের ৪৫ জন ব্যবসায়ী বাংলাদেশ সফরে আসবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর-এর বৈঠক শেষে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
ড. মাহদী আমিন বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক সংস্কার কার্যক্রমের প্রশংসা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগে বাংলাদেশের পাশে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন।
তিনি জানান, বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার কারণে বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে যে সংকট তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে। এসব উদ্যোগ নিয়েও মার্কিন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা এবং ব্যবসা পরিচালনার প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সরকার নীতিগত সহায়তা অব্যাহত রাখবে। একই সঙ্গে সরকারি বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে দেশের সমুদ্র ও স্থলবন্দরগুলোতে ২৪ ঘণ্টা সেবা চালুর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি শেষে এ ব্যবস্থা চালু করা হবে। এর ফলে পণ্য পরিবহন ও খালাসের সময় কমবে, ব্যবসায়িক ব্যয় হ্রাস পাবে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়বে।
এছাড়া একই দিনে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পৃথক বৈঠকে বিনিয়োগ পরিবেশ, শিল্প উৎপাদন, জ্বালানি সরবরাহ, রপ্তানি বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়। সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগে অর্থনীতিকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
ড. মাহদী আমিন বলেন, রাষ্ট্রীয় সেবার মানোন্নয়ন, অবকাঠামোগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি ফিরিয়ে আনতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতা এবং দেশীয় বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে এসব উদ্যোগ আরও কার্যকর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।












