Home আন্তর্জাতিক সৌদির ৩ শহরে হুথিদের হামলা, আহত ১৩

সৌদির ৩ শহরে হুথিদের হামলা, আহত ১৩

0
8
সৌদির ৩ শহরে হুথিদের হামলা, আহত ১৩

আন্তর্জাতিক নিউজডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা

প্রকাশের তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আপডেটের তারিখ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের তিন শহর—খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব হামলায় ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতটি বাড়ি ও দুটি যানবাহন।

তিন শহরে হামলা

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলের খামিস মুশাইত, আবহা ও তায়েফকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি মঙ্গলবার হামলার তথ্য জানিয়ে বলেন, আহতদের মধ্যে কারও আঘাত গুরুতর নয়; তাদের আঘাত হালকা থেকে মাঝারি মাত্রার।

হামলায় সাতটি আবাসিক ভবন ও দুটি যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

হামলার পাল্টাপাল্টি দাবি

সৌদি জোটের অভিযোগ, হুথিরা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা প্রতিহত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছে জোট।

অন্যদিকে, হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন, আগের ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের পাঁচটি প্রদেশে সৌদি যুদ্ধবিমান ৫৪টি হামলা চালিয়েছে। তার দাবি, এসব হামলায় সৌদি এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হয়েছে। তবে এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

ইয়েমেনে সংঘাতের নতুন উত্তেজনা

সাম্প্রতিক সময়ে ইয়েমেনে হুথি ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের বাহিনীর মধ্যে লড়াই আবারও তীব্র হয়েছে। এর প্রভাব সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবেও পড়ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হুথিরা সৌদি আরবের সামরিক ও জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বাড়িয়েছে।

২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা ও দেশটির কয়েকটি এলাকা দখলের পর ইয়েমেনের সংঘাত তীব্র হয়। ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন দিতে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট ইয়েমেনে সামরিক অভিযান শুরু করে।

সাম্প্রতিক এই সংঘাতের ফলে ইয়েমেনে মানবিক সংকটও আরও গভীর হচ্ছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সূত্র: রয়টার্স, আনাদোলু, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here