Home আন্তর্জাতিক ভারতে বসে রাজনীতি করতে পারবেন না শেখ হাসিনা: মোদি সরকার

ভারতে বসে রাজনীতি করতে পারবেন না শেখ হাসিনা: মোদি সরকার

0
25
ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনাকে নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান।

ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে নিষেধাজ্ঞা: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা: ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশটির মাটিতে বসে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে পারবেন না বলে জানিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। শুক্রবার প্রকাশিত দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর যে আবেদন করা হয়েছে, সেটি ভারতের প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী পর্যালোচনাধীন রয়েছে।

ভারতের লোকসভার পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী সংসদীয় কমিটিকে দেওয়া ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, মানবিক বিবেচনায় শেখ হাসিনাকে ভারতে অবস্থানের সুযোগ দেওয়া হলেও ভারতের একটি দীর্ঘদিনের নীতি রয়েছে—দেশটির ভূখণ্ড ব্যবহার করে অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না।

কংগ্রেস নেতা শশী থারুর-এর নেতৃত্বাধীন সংসদীয় কমিটি তাদের ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ভারতের এই নীতিগত অবস্থান অব্যাহত রাখার সুপারিশ করেছে। একই সঙ্গে বিষয়টি সংবেদনশীলতার সঙ্গে পরিচালনার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, প্রতিবেদনে বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের বক্তব্যও উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে তাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

সংসদীয় কমিটি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভারতীয় ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুত স্বাভাবিক করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেছে। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ভিসা সীমিত থাকায় দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর ২০২৬ সালের ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য পুনরায় ভারতীয় ভিসা চালু করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা শুরু করা উচিত। পাশাপাশি নতুন চুক্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং হালনাগাদ পানিসম্পদ-সংক্রান্ত তথ্য বিবেচনায় নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। এ আলোচনায় পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্য সরকারকেও সম্পৃক্ত করার পরামর্শ দিয়েছে কমিটি।

এছাড়া বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার বিষয়টি ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বজায় রাখারও সুপারিশ করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here