বিডি ভিউজ বাংলা | আন্তর্জাতিক ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গত জুনে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ভবিষ্যতে ইরানের পররাষ্ট্রনীতির অন্যতম প্রধান ভিত্তি হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (X)-এ দেওয়া এক পোস্টে পেজেশকিয়ান বলেন, এই সমঝোতা বাস্তবায়নে যারা ইরানের প্রতিপক্ষ, তাদের চুক্তির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ রাখতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে।
তিনি বলেন, এই সমঝোতা কার্যকর হলে ইরান, পুরো মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চল এবং দেশটির মিত্রদের নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নিয়ে আশাবাদী ট্রাম্প
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চুক্তি খুব শিগগিরই হতে পারে।
রোববার (২ আগস্ট) এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, সোমবার থেকে নতুন করে আলোচনা শুরু হবে।
তিনি দাবি করেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে একটি সমঝোতার অগ্রগতি হয়েছে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়েও একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর আশা রয়েছে।
ট্রাম্প আরও জানান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত বড় ধরনের সামরিক অভিযান বাতিল করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই আঞ্চলিক দেশগুলো মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে। সম্ভাব্য সমঝোতা বাস্তবায়নে উপসাগরীয় দেশগুলোর কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের বৈরিতার পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন সমঝোতা হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও জ্বালানি রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
সূত্র: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম












