জাতীয় ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০২৬
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চতুর্থ প্রজন্মের মাল্টি রোল কমব্যাট এয়ারক্রাফট (এমআরসিএ), ফাইটার বিমান, অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি হেলিকপ্টার ও ইউএভি সিস্টেম সংগ্রহের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
এরই অংশ হিসেবে চীনের তৈরি জে-১০সিই (J-10CE) ফাইটার বিমান কেনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিটির মাধ্যমে নেগোসিয়েশন মিটিংয়ের খসড়া চুক্তিপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান এবং প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
বাজেট পেলেই বাস্তবায়ন
জাহেদ উর রহমান বলেন, চলতি অর্থবছরে প্রয়োজনীয় বাজেট পাওয়া গেলে এসব আধুনিকায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। তা সম্ভব না হলে পরবর্তী বাজেটে এগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
জে-১০ ফাইটারের সক্ষমতা প্রসঙ্গে তিনি সাম্প্রতিক ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর দাবি, ওই সংঘাতে ভারতীয় রাফাল যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় চীনের জে-১০ ফাইটারের ভূমিকা ছিল।
তিনি বলেন, রাফালকে ৪.৫ প্রজন্মের আধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোর অন্যতম হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অন্যদিকে চীনের জে-১০ একটি মাল্টি রোল ফাইটার, যা বাস্তব যুদ্ধ পরিস্থিতিতে কার্যকারিতা দেখিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ব্যয় ও সক্ষমতা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, রাফাল বা ইউরোফাইটার টাইফুনের মতো ইউরোপীয় যুদ্ধবিমানের তুলনায় চীনা ফাইটারের দাম তুলনামূলক কম। ফলে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যয় ও কার্যকারিতা—দুই দিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা নীতিতে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে পারছে।
সার সরবরাহ নিয়েও সরকারের বক্তব্য
সংবাদ সম্মেলনে দেশে সার সরবরাহ নিয়েও কথা বলেন জাহেদ উর রহমান। তিনি দাবি করেন, দেশে সারের সংকট নেই। তবে কোথাও কোথাও সার বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো কর্মকর্তা বা দায়িত্বশীল ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে প্রত্যাহার করে নতুন দায়িত্বশীল ব্যক্তি নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে।












