নিজস্ব প্রতিবেদক:
ছয় দফা দাবি বাস্তবায়ন এবং গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিতে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ করেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে শুরু হওয়া প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই কর্মসূচি চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক লালদীঘি ময়দানে সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।
লালদীঘি ময়দানের সমাপনী সমাবেশে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছে। সরকারকে সতর্ক করতেই এই লংমার্চ করা হয়েছে। তিনি বলেন, জনগণের প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।
সমাবেশে ১১ দলীয় জোটের নেতারা জানান, ছয় দফা দাবি শুধু রাজনৈতিক দলগুলোর দাবি নয়, এটি দেশের মানুষের দাবি। এসব দাবি বাস্তবায়ন না হলে পর্যায়ক্রমে আরও তিন বিভাগে লংমার্চ শেষে ঢাকায় মহাসমাবেশের মাধ্যমে এক দফা আন্দোলনের দিকে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
জোটের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি রোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধ করা।
লংমার্চে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের কাঁচপুর, কুমিল্লার নিমসার ও পদুয়ার বাজার, চৌদ্দগ্রাম, ফেনীর মহিপাল এবং চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন স্থানে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন।
রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে সংসদ ও রাজপথে আন্দোলন চলবে। একইসঙ্গে তিনি চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান।
লংমার্চের পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর, ৩১ অক্টোবর খুলনা-কুষ্টিয়া এবং ২১ নভেম্বর ট্রেনযোগে সিলেট মহানগর অভিমুখে লংমার্চের পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে ঢাকায় মহাসমাবেশ করার কথা জানিয়েছে ১১ দলীয় জোট।
সূত্র: আমার দেশ














