Home সর্বশেষ সংবাদ ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে আর সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে আর সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

0
8
৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে আর সুযোগ নেই: চিফ প্রসিকিউটর

নিজস্ব প্রতিবেদক | বিডি ভিউজ বাংলা


প্রকাশ: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আপডেট: ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে কোনো ব্যক্তি রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে পরবর্তীতে আর আপিলের সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

পলাতক বা কারাগারে—আইন সবার জন্য সমান

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা—নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করতে হবে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ২১(৩) ধারায় রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করার বিধান রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করা না হলে পরবর্তীতে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।

আমিনুল ইসলাম বলেন, কোনো ব্যক্তি পলাতক থাকুন কিংবা কারাগারে থাকুন—রায় ঘোষণার ৩০ দিনের সময়সীমা সবার ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য।

আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে যা বললেন

মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল উল্লেখ করে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তিনি দীর্ঘদিন দেশের বাইরে ছিলেন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করেননি।

তিনি জানান, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়েছে। সেখানে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট আইনি বিধান তুলে ধরা হয়।

আমিনুল ইসলামের ভাষ্য অনুযায়ী, আপিল বিভাগ এখনও আবুল কালাম আজাদের আপিল গ্রহণ করেনি। ফলে এ বিষয়ে আপিল বিভাগের সামনে বর্তমানে কোনো বিচারিক কার্যক্রমও চলমান নেই।

সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কেউ আপিল না করলে অন্য কোনো ফোরামেও আইনগত প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ থাকে না বলে তিনি মনে করেন।

তবে সরকার চাইলে যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, এটি সরকারের একটি অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা। সরকার কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে, আবার নাও করতে পারে।

গুমের অভিযোগ যাচাই-বাছাই হবে

এদিকে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের কোনো অসংগতি হবে না বলেও জানান মো. আমিনুল ইসলাম।

তিনি বলেন, গুমের সব অভিযোগ ও প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বক্তব্য

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here