Home অর্থনীতি মহেশখালীতে এলএনজি সরবরাহে বড় ধাক্কা, চট্টগ্রামে ৪০% গ্যাস ঘাটতি

মহেশখালীতে এলএনজি সরবরাহে বড় ধাক্কা, চট্টগ্রামে ৪০% গ্যাস ঘাটতি

0
6
মহেশখালীতে এলএনজি সরবরাহে বড় ধাক্কা, চট্টগ্রামে ৪০% গ্যাস ঘাটতি

ন্যাশনাল নিউজ ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা
আপডেট: ১২ আগস্ট ২০২৬, সন্ধ্যা

কারিগরি ত্রুটি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারের মহেশখালীতে থাকা দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ ব্যাপকভাবে কমে গেছে। বুধবার সকাল ১০টা পর্যন্ত টার্মিনাল দুটির সম্মিলিত সক্ষমতা ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডির বিপরীতে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হয়েছে মাত্র ৪১০ এমএমসিএফডি—অর্থাৎ সক্ষমতার প্রায় ৬৩ শতাংশই অব্যবহৃত রয়েছে।

এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামে। কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের তথ্য অনুযায়ী, নগরীতে দৈনিক প্রায় ৩৫০ এমএমসিএফডি গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ মিলছে মাত্র ২১০ এমএমসিএফডি। ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ

সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে গাড়ির দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও গ্যাস মিলছে না। কম চাপের কারণে একটি গাড়িতে গ্যাস দিতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগছে।

চালকদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকায় আয় কমে যাচ্ছে, অথচ গাড়ির দৈনিক ভাড়া ও অন্যান্য খরচ ঠিকই দিতে হচ্ছে।

শিল্প ও আবাসিক গ্রাহকরাও বিপাকে

গ্যাস সংকটে চট্টগ্রামের শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে আবাসিক গ্রাহকদের অনেকেই পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় রান্নাবান্নায় সমস্যায় পড়েছেন।

কেজিডিসিএল জানিয়েছে, সরবরাহ কমে যাওয়ার পরিস্থিতিতে আবাসিক গ্রাহক ও সিএনজি স্টেশনগুলোতে সরবরাহ সচল রাখাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

কেন কমেছে সরবরাহ?

এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের দুটি বয়লারের একটি বর্তমানে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে, সামিটের টার্মিনালে এলএনজিবাহী একটি জাহাজ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নিরাপদে বার্থিং করতে পারছে না। ফলে জাহাজ থেকে এলএনজি আনলোডিংও শুরু করা যাচ্ছে না।

গত ২১ জুলাই দুর্ঘটনার পর এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ৬ আগস্ট একটি বয়লার চালু করে আংশিক সরবরাহ শুরু হলেও দ্বিতীয় বয়লার এখনো মেরামতের আওতায় রয়েছে।

আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সামিটের এলএনজি জাহাজের অপারেশন শুরু এবং এক্সিলারেটের দ্বিতীয় বয়লার চালু করা সম্ভব হলে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

#এলএনজি #গ্যাসসংকট #মহেশখালী #চট্টগ্রাম #সিএনজি #জ্বালানি #গ্যাসঘাটতি #শিল্প #লোডশেডিং #বাংলাদেশ #BDViewsBangla

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here