আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশের তারিখ: ১৬ আগস্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০২৬
ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জ্বালানির কিছুটা বাড়তি দাম মেনে নেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) নিউইয়র্কের গার্ডেন সিটিতে এক রাজনৈতিক সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে ঠেকানোর বিনিময়ে মার্কিন নাগরিকদের কিছুটা বেশি দামে পেট্রল কিনতে হলে সেটি মেনে নেওয়া যায়।
ট্রাম্প ইরানকে “ভীষণ শয়তান” বা ‘খুবই খারাপ’ দেশ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ইরানের হাতে পারমাণবিক অস্ত্র যাওয়া ঠেকাতে বাড়তি জ্বালানি খরচ একটি গ্রহণযোগ্য মূল্য।
তিনি বলেন, “ইরান যাতে পারমাণবিক অস্ত্র না পায়, তা নিশ্চিত করতে সামান্য বেশি দামে পেট্রল কিনতে হলে সেটি মূল্যবান।”
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির এবং এর প্রভাব বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের ওপর পড়ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামও সাম্প্রতিক সময়ে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
এদিকে একই বক্তব্যে ট্রাম্প দাবি করেন, খুব শিগগিরই তিনি হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করতে পারেন।
হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুদ্ধের আগে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জাহাজ চলাচল করলেও সাম্প্রতিক সময়ে বাণিজ্যিক নৌযান চলাচল ব্যাপকভাবে কমে গেছে। ফলে তেল সরবরাহ, পরিবহন ব্যয় এবং জ্বালানির বাজার নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।
অন্যদিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধের বাস্তবতা মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে। ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি মার্কিন অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের ওপর চাপ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে থাকায় জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য রাজনৈতিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।
📌 সূত্র: রয়টার্স ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম












