আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬
আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০২৬
মার্চ মাসের একটি সামরিক অভিযানের পর থেকে নিখোঁজ থাকা তিন ইরানি সামরিক পাইলটকে কাতারে বন্দি হিসেবে বিবেচনা করছে ইরান। এ বিষয়ে কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ও আইনগত বিভিন্ন ফোরামে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে তেহরান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত নিখোঁজ তিন বৈমানিককে বন্দি হিসেবে ধরে নিয়ে তাদের বিষয়ে সব ধরনের আইনগত ও আন্তর্জাতিক মাধ্যম ব্যবহার করা হবে।
ইরানের দাবি অনুযায়ী, গত ২ মার্চ একটি অভিযানে চারজন বৈমানিক অংশ নিয়েছিলেন। পরে তাদের মধ্যে একজনের মরদেহ ইরানে ফেরত পাঠানো হয়। বাকি তিনজনের ভাগ্য নিয়ে এতদিন কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
নিখোঁজ হওয়ার পরপরই বিষয়টি নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির (আইসিআরসি) সঙ্গে যোগাযোগ এবং বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের মাধ্যমে পরামর্শ নেওয়া হয় বলে জানিয়েছে তেহরান।
কাতারের দাবি ভিন্ন
তবে ইরানের দাবিকে সরাসরি অস্বীকার করেছে কাতার। দোহার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা কোনো ইরানি পাইলটকে আটক করেনি। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানান, ইরানি বিমান কাতারের আকাশসীমায় প্রবেশের পর যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। পরবর্তী অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযানে একজন পাইলটের মরদেহ পাওয়া যায়।
কাতার আরও জানিয়েছে, মরদেহ হস্তান্তর এবং উদ্ধার অভিযানের বিস্তারিত তথ্য পর্যালোচনার জন্য ইরানকে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হলেও তেহরানের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাওয়া যায়নি।
ফলে তিন পাইলটের প্রকৃত অবস্থান নিয়ে ইরান ও কাতারের বক্তব্যে বড় ধরনের অমিল তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিষ্পত্তিতে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির ভূমিকা চেয়েছে ইরান।
সূত্র: ডন, রয়টার্স












