Home জাতীয় এইচ বি এম ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, জব্দ ৬০০ চেকবই ও শত শত...

এইচ বি এম ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, জব্দ ৬০০ চেকবই ও শত শত সম্পত্তির দলিল

0
5
এইচ বি এম ইকবালের কার্যালয় সিলগালা, জব্দ ৬০০ চেকবই ও শত শত সম্পত্তির দলিল

বিডি ভিউজ বাংলা ডেস্ক:

প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬
আপডেট: ১৮ আগস্ট ২০২৬

আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এইচ বি এম ইকবালের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে টানা চার দিন অভিযান চালিয়ে সেটি সিলগালা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রাজধানীর বনানীতে অবস্থিত ইকবাল সেন্টারের ১৬ তলায় তাঁর ব্যবহৃত চেম্বার থেকে বিপুল পরিমাণ দলিলপত্র, চেক বই ও ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে।

দুদকের উপপরিচালক মো. হোসাইন শরীফের নেতৃত্বে প্রিমিয়ার গ্রুপের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম ও অর্থ পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তল্লাশি শেষে এইচ বি এম ইকবালের ব্যক্তিগত চেম্বার এবং একজন পরিচালকের কক্ষ সিলগালা করা হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, একজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তল্লাশি ও জব্দতালিকা প্রস্তুত করা হয়।

অভিযান শেষে তৈরি করা পাঁচটি পৃথক তালিকার মধ্যে একটি ৩৭ পৃষ্ঠার নথিতে এইচ বি এম ইকবালের প্রায় তিন শতাধিক সম্পত্তির দলিলের বিবরণ রয়েছে। এছাড়া তাঁর কার্যালয় থেকে আনুমানিক ৫০০ থেকে ৬০০টি চেক বই, একটি ম্যাকবুক, আইপ্যাড, ট্যাব ও মুঠোফোনসহ মোট সাতটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তাদের ধারণা, জব্দ করা ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর কয়েকটি এইচ বি এম ইকবালের ছেলেরা ব্যবহার করতেন।

এ ছাড়া কার্যালয় থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা নগদ এবং স্থায়ী আমানত বা এফডিআর-সংক্রান্ত বিভিন্ন নথি সংগ্রহ করেছে দুদক।

প্রিমিয়ার গ্রুপের তিন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ

কার্যালয় সিলগালার পাশাপাশি সোমবার প্রিমিয়ার গ্রুপের তিন শীর্ষ কর্মকর্তাকে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে দুদক।

জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হওয়া কর্মকর্তারা হলেন—প্রিমিয়ার গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তফা তালুকদার, প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান এবং মহাব্যবস্থাপক এ ডি এম নাজমুল ইসলাম

এইচ বি এম ইকবাল ও তাঁর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অর্থ পাচারের অভিযোগের সূত্র ধরে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে তাঁদের বক্তব্য রেকর্ড করা হচ্ছে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, প্রিমিয়ার গ্রুপের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া আরও পাঁচটি মামলার সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। এসব মামলা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দুদক জানিয়েছে, পুরো ইকবাল সেন্টার তাদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়নি। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে কেবল এইচ বি এম ইকবালের ব্যবহৃত অংশগুলোই দুদকের নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here