আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক/বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশের তারিখ: ২৪ আগস্ট ২০২৬
আপডেটের তারিখ: ২৪ আগস্ট ২০২৬
ইরানের অর্থনীতিকে টিকিয়ে রাখতে সহায়তা করে এমন প্রতিটি ‘অর্থনৈতিক সম্পর্ক’ বিচ্ছিন্ন করাই ওয়াশিংটনের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট ব্যাসেন্ট।
ব্রিটিশ সংবাদপত্র ফিন্যান্সিয়াল টাইমস-এ প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে তিনি এ কথা বলেন।
ব্যাসেন্ট বলেন, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এখন ‘চূড়ান্ত পর্যায়ে’ প্রবেশ করেছে। তেহরানের জন্য সামনে আসছে একটি ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’।
গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দেন। এর প্রসঙ্গ টেনে ব্যাসেন্ট বলেন, ওয়াশিংটন এমন একটি অর্থনৈতিক অভিযান চালাবে, যা কোনো প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নেওয়া ‘এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় আর্থিক আক্রমণ’ হতে পারে।
এর আগে ব্যাসেন্ট সতর্ক করেছিলেন, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা অন্য দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর আরও বেশি ‘সেকেন্ডারি নিষেধাজ্ঞা’ আরোপ করা হতে পারে। এর ফলে ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা তৃতীয় দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোকেও মার্কিন চাপের মুখে পড়তে হতে পারে।
মতামত নিবন্ধে স্কট ব্যাসেন্ট বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন পরিস্থিতি তৈরি করেছেন, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি সংস্থা, প্রতিটি ক্ষমতা ও প্রতিটি কর্তৃত্ব কাজে লাগানো সম্ভব হয়। এমন কিছু পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে, যেগুলোকে অনেকেই আগে কখনো প্রয়োগ করা হবে বলে মনে করেননি।
তিনি আরও বলেন, তেহরানের সঙ্গে এখনো যেকোনো ধরনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক থাকা দেশ ও প্রতিষ্ঠানকে আরও বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি নিতে হবে। সেই সম্পর্ক ইচ্ছাকৃতভাবে তৈরি করা হোক কিংবা জেনেশুনে উপেক্ষা করা হোক—পরিণতি একই হতে পারে।
ব্যাসেন্টের ভাষায়, ‘স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা প্রতিটি অর্থনৈতিক পথ বিচ্ছিন্ন করাই’ যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য। তেহরান একা না হওয়া পর্যন্ত এই চাপ অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
মার্কিন অর্থমন্ত্রীর এই বক্তব্য থেকে ইঙ্গিত মিলছে, ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখা তৃতীয় দেশ এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসতে পারে।












