আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
ইরানের বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে টানা ১২তম রাতের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সেতুসহ বিভিন্ন বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দেওয়ায় নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
ডেমোক্রেটিক পার্টির আইনপ্রণেতারা ট্রাম্পের বক্তব্যের সমালোচনা করে বলেছেন, বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের কৌশল আন্তর্জাতিক যুদ্ধ আইনের পরিপন্থী।
তবে সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের কঠোর বক্তব্যের সঙ্গে এখন পর্যন্ত পেন্টাগনের পরিচালিত সামরিক অভিযানের কিছু পার্থক্য রয়েছে। তাদের মতে, বর্তমান হামলাগুলো নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে ইরানও পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, তারা যদি আন্তর্জাতিক বাজারে তেল রপ্তানি করতে না পারে, তাহলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর তেল সরবরাহও বাধাগ্রস্ত করা হবে।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টার দিকে ফার্স নিউজ জানায়, বুশেহর অঞ্চলের একটি সামরিক স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। পরে খুজেস্তান প্রদেশের আন্দিমেস্ক শহরের উপকণ্ঠেও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর নিশ্চিত করা হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সর্বশেষ হামলায় ইরানের নৌ-সক্ষমতা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মজুত কেন্দ্র, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
সেন্টকম আরও জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে ৫০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে এবং তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।












