রাজনীতি | ন্যাশনাল নিউজ ডেস্ক
বিডি ভিউজ বাংলা
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের অধিকাংশ সদস্য ও নিকটাত্মীয় দেশ ছেড়েছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যম ও দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তাদের বেশির ভাগ বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। এছাড়া কেউ কেউ যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে রয়েছেন বলে জানা গেছে।
সরকার পতনের দিন শেখ হাসিনার সঙ্গে দেশ ছাড়েন তার ছোট বোন শেখ রেহানা। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, তিনি বর্তমানে লন্ডন ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত করছেন। ওই সময় শেখ হাসিনার প্রতিরক্ষাবিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকও তাদের সঙ্গে ছিলেন।
শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সরকার পতনের পর তিনি ভারতে গিয়ে মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। অপরদিকে মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), যিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ছিলেন, তাকে বর্তমানে দিল্লি ও দুবাইয়ে অবস্থান করতে দেখা যাচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক (ববি) সরকার পতনের সময় থাইল্যান্ডে ছিলেন। তার স্ত্রী ফিনল্যান্ডের নাগরিক। রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট সদস্য এবং আরেক মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীও যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।
পরিবারের বাইরেও শেখ হাসিনার একাধিক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় দেশ ছেড়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে দাবি করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও তার ছেলে শেখ ফজলে নাঈম বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে। শেখ ফজলে ফাহিম সরকার পতনের আগেই দেশ ছাড়েন।
যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ সরকার পতনের পর ভারত হয়ে কানাডায় যান এবং পরে আবার ভারতে ফিরে আসেন বলে জানা গেছে। শেখ ফজলুর রহমান মারুফ বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন।
এদিকে, শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ সরকার পতনের আগেই ভারতে যান বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। তার ছেলে আশিক আবদুল্লাহও তার সঙ্গে দেশ ছাড়েন। চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দীন, শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল এবং শেখ তন্ময়ও ভারতে অবস্থান করছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রের দাবি অনুযায়ী, শেখ হাসিনার স্বজনদের অনেকেই বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। তবে এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক












