বিডি ভিউজ বাংলা ন্যাশনাল ডেস্ক
সরকারি দপ্তর কিংবা সরকারের কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট বরদাশত করা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, দলের পরিচয়ে কেউ চাঁদাবাজি বা অনিয়ম করলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, “আমরা (বিএনপি) ক্ষমতায় আছি, নিশ্চয়ই আমাদের নেতাকর্মীরা কিছু সুবিধা পাবেন। তবে এমন কোনো সুবিধা দেওয়া হবে না, যাতে সরকারের বদনাম হয়। একজন চাঁদাবাজ হাসপাতালে এসে চাঁদাবাজি করলে তার ব্যক্তিগত লাভ হতে পারে, কিন্তু এতে সরকারের ওপর যে কালিমা লেপন হবে, সেই দায় সরকার নেবে না।”
তিনি জানান, সম্প্রতি বরিশালে দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে জোরপূর্বক একটি চেকে স্বাক্ষর করানোর অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “অপরাধী সে দলের যত বড় নেতাই হোক না কেন, তার পরিচয় সে অপরাধী। কেউ যদি মনে করেন, আওয়ামী লীগ লুটপাট করেছে, তাই এখন সেই জায়গায় গিয়ে নিজেই বসবেন—তাহলে তিনি ভুলের স্বর্গে বাস করছেন। এমন কোনো কাজ দলীয় নেতাকর্মীদের করতে দেওয়া হবে না, যাতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।”
শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে হাসপাতালটি ৫০ শয্যার। শয্যা সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনাও হাতে নেওয়া হয়েছে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান, শৈলকূপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. রাশেদ আল মামুন।
এ ছাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।








