
বিডি ভিউজ বাংলা ন্যাশনাল ডেস্ক
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হাসনাত আবদুল্লাহ দাবি করেছেন, ২০২৬ সালের গণভোটে ভোট কারচুপি হয়েছে এবং তা ফল প্রকাশের পর ঘটেছে।
শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেলে নোয়াখালীর জেলা শহর মাইজদীতে এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণভোট বাস্তবায়ন, বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং সীমান্ত সুরক্ষার দাবিতে এ কর্মসূচির আয়োজন করে নোয়াখালী জেলা এনসিপি।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে ভোট চুরি হয়েছে। তবে এবার আমরা নতুন ধরনের একটি মেকানিজম দেখলাম। এবারও ভোট চুরি হয়েছে, কিন্তু তা ফল প্রকাশের পরে।”
তিনি দাবি করেন, “দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ছিল, কিন্তু বিএনপি সেই ভোট চুরি করেছে। জুলাইয়ের আগে ভোটের ফল প্রকাশের আগেই কারচুপি হতো, আর জুলাইয়ের পর ফল প্রকাশের পর ভোট চুরি হয়েছে।”
বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, “তরুণ প্রজন্মের বিপক্ষে গিয়ে দেশ পরিচালনা বা সংস্কার করা সম্ভব নয়। জনগণের মতামত উপেক্ষা করে সংস্কার বাস্তবায়নের চিন্তা করলে তা ভুল হবে।”
কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “এক কোটি কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও একটি নতুন কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা যায়নি। নতুন কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশিত হয়নি।”
বিদ্যুৎ পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি বলেন, “আগে বিদ্যুৎ মানুষের বাড়িতে মাঝে মাঝে যেত, এখন বিদ্যুৎই মাঝে মাঝে আসে। বিএনপি সরকার মানুষের হাতে বিদ্যুতের বদলে হারিকেন ও মোমবাতি তুলে দিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “বিদ্যুৎমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন দেশে কোনো লোডশেডিং নেই। কিন্তু তিনি যদি জনগণের মধ্যে যান, তাহলে বুঝতে পারবেন—অনেক এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৬ ঘণ্টাই বিদ্যুৎ থাকে না।”
কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নোয়াখালী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদসহ দলটির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা।








