Home আন্তর্জাতিক গাজায় শিশুদের ঘুড়ি নিয়েও ইসরায়েলের হুমকি, বাড়ছে হামলার আশঙ্কা

গাজায় শিশুদের ঘুড়ি নিয়েও ইসরায়েলের হুমকি, বাড়ছে হামলার আশঙ্কা

0
10

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক/বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশের তারিখ: ২৪ আগস্ট ২০২৬
আপডেটের তারিখ: ২৪ আগস্ট ২০২৬

গাজা উপত্যকায় শিশুদের ঘুড়ি ওড়ানোকে কেন্দ্র করে আবাসিক এলাকায় হামলা বাড়ানো এবং বাসিন্দাদের উচ্ছেদের হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। অথচ ইসরায়েলি সেনাবাহিনী নিজেই জানিয়েছে, গাজা সীমান্ত থেকে উদ্ধার করা কয়েকটি ঘুড়িতে কোনো বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক উপাদান পাওয়া যায়নি।

ফিলিস্তিনের বাস্তুচ্যুত শিবিরগুলোতে যুদ্ধ ও ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যে সামান্য স্বস্তির জন্য শিশুরা ঘুড়ি উড়িয়ে থাকে। বাতাসের কারণে কখনো কখনো এসব হালকা ঘুড়ি সুতা ছিঁড়ে সীমান্ত পেরিয়ে ইসরায়েলি এলাকার দিকে চলে যায়।

তবে এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে গাজায় সামরিক অভিযান আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ

ইসরায়েলি সেনাপ্রধান ইয়াল জামির ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিরাপত্তা বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, যেসব এলাকা থেকে ঘুড়ি, বেলুন বা ড্রোন উড়ে আসবে, সেসব এলাকা খালি করে দেওয়া হবে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাৎজ বলেন, একটি ঘুড়ি বা বেলুনে বিস্ফোরক থাকুক কিংবা না থাকুক, সেটিকে ড্রোনের মতোই বিপজ্জনক হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী শনিবার জানায়, নাহাল ওজ এলাকা থেকে উদ্ধার করা চারটি ঘুড়ি পরীক্ষা করে কোনো সন্দেহজনক উপাদান বা ঝুঁকি পাওয়া যায়নি।

তারপরও স্থানীয় ইসরায়েলি কাউন্সিল প্রধানদের একটি অংশ সামরিক অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছে।

ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলের এই অবস্থানকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের নতুন অজুহাত হিসেবে দেখছেন। হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাশেম অভিযোগ করেন, শিশুদের খেলনাকে অজুহাত বানিয়ে ইসরায়েল নতুন করে হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রসহ যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রতি ইসরায়েলের ওপর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানান।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইয়াদ আল-কাররার মতে, শিশুদের ঘুড়ি নিয়ে এমন নিরাপত্তা আতঙ্কের বিষয়টি অস্বাভাবিক। তার দাবি, যুদ্ধবিরতির শর্ত এড়িয়ে হামলা চালিয়ে যাওয়ার রাজনৈতিক অজুহাত হিসেবেই বিষয়টি ব্যবহার করা হতে পারে।

২০২৫ সালের ১০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি ইসরায়েলি বাহিনী নিয়মিত লঙ্ঘন করছে বলে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো অভিযোগ করে আসছে। এসব ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৮৬ জন নিহত হওয়ার দাবি করা হয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here