আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে নিজ জন্মভূমি মাশহাদে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পবিত্র ইমাম রেজা (আ.) মাজার প্রাঙ্গণে শেষ জানাজা শেষে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, দাফনের আগে ভোর থেকেই মাশহাদের ইমাম রেজা মাজারমুখী সড়কগুলো লাখো শোকার্ত মানুষের উপস্থিতিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দেশ-বিদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ সেখানে সমবেত হন।
খামেনির মরদেহ দাফনের আগে ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হয়। মঙ্গলবার রাতে মরদেহ নাজাফে পৌঁছালে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, খামেনির জ্যেষ্ঠ পুত্র মোস্তাফা হোসেইনি খামেনি এবং ইরাকি কর্মকর্তারা তা গ্রহণ করেন। বুধবার সেখানে শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
পরে মরদেহ কারবালায় নেওয়া হলে ইমাম হোসেন (আ.) ও হযরত আব্বাস (আ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণেও পৃথক শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়। এসব কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক শোকাহত মানুষ অংশ নেন।
এদিকে, খামেনির শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায় বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়।
উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার ইরাক থেকে মরদেহ মাশহাদে এনে দাফন সম্পন্ন করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হন বলে ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, প্রেস টিভি।





