আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন দেশে সামরিক অভিযান পরিচালনা করে আসছে। একই সঙ্গে তারা দাবি করে, সাম্প্রতিক সংঘাতে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কাছে পরাজয়ের পরও যুক্তরাষ্ট্র কোনো শিক্ষা নেয়নি।
কুয়েতে হামলার দাবি
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, কুয়েতের আলি আল-সালেম বিমানঘাঁটিতে হামলায় জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং একটি প্যাট্রিয়ট (Patriot) আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে।
এছাড়া আহমেদ আল-জাবের বিমানঘাঁটিতে থাকা একটি কৌশলগত রাডার ব্যবস্থাও সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, কুয়েতে অবস্থিত একটি মার্কিন সারফেস-টু-সারফেস ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে দুটি হাইমার্স (HIMARS) ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা এবং একটি ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার ধ্বংস করা হয়েছে।
জর্ডান ও বাহরাইনেও হামলার দাবি
আইআরজিসি জানায়, জর্ডানে মার্কিন সেনা মোতায়েন থাকা প্রিন্স হাসান এয়ার বেসে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। এতে কয়েকটি জ্বালানি ডিপো ও গোলাবারুদের গুদামে আগুন লাগে বলে দাবি করা হয়।
এছাড়া বাহরাইনের শেখ ইসা এয়ার বেসে মার্কিন সামরিক ড্রোন পরিচালনা কেন্দ্র, একটি হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র এবং পি-৮ (P-8) বিমান রাখা একটি হ্যাঙ্গার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি।
তারা আরও দাবি করেছে, হামলায় বাহরাইনে থাকা মার্কিন ড্রোন বহরের একটি অংশ ধ্বংস করা হয়েছে।
তবে আইআরজিসির এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, কুয়েত, জর্ডান বা বাহরাইন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: প্রেস টিভি












