স্টাফ রিপোর্টার | বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২৬ |
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাটি মূলত দলীয় কর্মীদের উজ্জীবিত করার একটি রাজনৈতিক কৌশল। তিনি এ ঘোষণাকে “রাজনৈতিক ভাওতাবাজি” বলে অভিহিত করেন।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রাঙ্গণে ‘জুলাই হত্যাকাণ্ডের দায়’ শীর্ষক এক ছায়া সংসদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কৌশল গণতন্ত্রের পরিবর্তে ফ্যাসিবাদের দিকে ধাবিত হয়েছিল। তার দাবি, জুলাই গণহত্যার ঘটনায় দলটি রাজনৈতিক, সামাজিক ও নৈতিকভাবে পরাজিত হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে না থাকলেও বিভিন্ন প্রশাসনিক, ব্যবসায়িক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তাদের সহযোগীরা এখনও সক্রিয় রয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, জুলাই অভ্যুত্থানের আগে আওয়ামী পরিবারের সদস্যরা দেশ ছেড়ে চলে যান। তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভক্তি তৈরি হলে আওয়ামী লীগের পুনরুত্থানের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে। তাই গণতন্ত্রের স্বার্থে ফ্যাসিবাদবিরোধী সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি-এর চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ। তিনি বলেন, বিএনপিসহ বিভিন্ন ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দল ও ছাত্র-জনতার দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় জুলাই অভ্যুত্থান সংঘটিত হয়েছিল। তার মতে, ওই অভ্যুত্থান শুধু সরকারের পতন নয়, বরং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক, সামাজিক ও নৈতিক পরাজয়েরও প্রতীক।
পরে ‘জুলাই হত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পরাজয়ের চেয়ে সামাজিক পরাজয় বেশি’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)-এর বিতার্কিকরা গণবিশ্ববিদ্যালয়-এর দলকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়। বিজয়ীদের মাঝে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
দ্রষ্টব্য: প্রতিবেদনে উল্লেখিত বক্তব্যগুলো অনুষ্ঠানে বক্তাদের দেওয়া বক্তব্য ও দাবির ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে।











