Home রাজনীতি পরিকল্পনার ঘাটতিতেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট, বেসরকারিকরণের উদ্যোগ: নাহিদ ইসলাম

পরিকল্পনার ঘাটতিতেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট, বেসরকারিকরণের উদ্যোগ: নাহিদ ইসলাম

0
5
পরিকল্পনার ঘাটতিতেই বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট, বেসরকারিকরণের উদ্যোগ: নাহিদ ইসলাম

নিজস্ব প্রতিবেদক | বিডি ভিউজ বাংলা

প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩০ সকাল
সর্বশেষ আপডেট: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৩০ সকাল

পরিকল্পনার ঘাটতি ও সময়মতো জ্বালানি কেনার সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কারণেই দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। তাঁর দাবি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটকে কাজে লাগিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই খাতগুলো বেসরকারি গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় নাহিদ ইসলাম এসব অভিযোগ করেন।

নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, বিএনপি জনগণের সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সরকার অলিগার্কদের স্বার্থ রক্ষার পথে এগোচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, নির্বাচনি ইশতেহারে ‘লুটপাট নয়, উৎপাদন; বৈষম্য নয়, ন্যায্যতা’ এবং নতুন সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় চুক্তির কথা বলা হলেও ছয় মাসের মধ্যেই সরকার সেই প্রতিশ্রুতির বিপরীত পথে হাঁটছে।

জ্বালানি আমদানিতে বেসরকারিকরণের অভিযোগ

নাহিদ ইসলাম বলেন, জ্বালানি আমদানি ও বিদ্যুৎ বিতরণে বেসরকারিকরণের নামে নির্দিষ্ট ব্যবসায়িক গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তাঁর দাবি, বিএনপির ৩১ দফা ও নির্বাচনি ইশতেহারে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ খাতে দায়মুক্তি আইনসহ আগের সরকারের বিভিন্ন আইন বাতিলের প্রতিশ্রুতি ছিল।

তাঁর অভিযোগ, আগের সরকারের সময়ে দায়মুক্তির সুযোগ নিয়ে কুইক রেন্টাল ও আইপিপির মাধ্যমে ক্যাপাসিটি চার্জ বাবদ হাজার হাজার কোটি টাকা লুট হয়েছে। বিএনপি তখন এসবের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেও এখন একই ধরনের নীতির দিকে এগোচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

নাহিদ ইসলামের দাবি, বসুন্ধরা অয়েল অ্যান্ড গ্যাস বড় পরিমাণে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে নিজস্ব ব্যবস্থায় বাজারজাতের অনুমতি চেয়ে সরকারকে চিঠি দিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৬ আগস্ট জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) মাত্র চার দিনের মধ্যে ‘বেসরকারি খাতে পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা ২০২৬’-এর খসড়া জমা দিতে বলে। তাঁর অভিযোগ, এতে আপত্তি জানানোয় বিপিসির চেয়ারম্যানকে অন্যায়ভাবে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

দরপত্রের সময়সীমা কমানো নিয়েও প্রশ্ন

নাহিদ ইসলাম বলেন, জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি জ্বালানি নীতিমালার খসড়া তৈরিতে চার দিনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ২৮ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর সময়ের জ্বালানি তেল আমদানির আন্তর্জাতিক দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ১০ দিন করেছে।

তাঁর আশঙ্কা, এতে বড় আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীরা দরপত্রে অংশ নেওয়ার সুযোগ নাও পেতে পারেন। ফলে দরদাতার সংখ্যা কমে গিয়ে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পাশাপাশি সিন্ডিকেটের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তিনি প্রশ্ন করেন, অংশীজনদের মতামত নেওয়া যদি সরকারের উদ্দেশ্য হয়, তাহলে চার দিনের সময়সীমা কেন নির্ধারণ করা হলো এবং তদন্ত কমিটিকে দুই দিন সময় দেওয়ার কারণ কী? একইভাবে বিপিসির চেয়ারম্যানকে সরানোর ক্ষেত্রে এত তাড়াহুড়োর কারণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

‘ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোডশেডিং’

নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, বিএনপি সরকারের সময়ে দেশে আবার ‘লোডশেডিং’ পরিচিত শব্দ হয়ে উঠছে। তাঁর দাবি, ১০ আগস্ট রাত ১টায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট। এর আগে ৯ আগস্ট ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট এবং ৩ আগস্ট ৩ হাজার ৫১২ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছিল।

তিনি বলেন, বর্তমানে ৪১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে এবং ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি প্রায় অর্ধেকে নেমে গেছে। গ্রামাঞ্চলে দিনে ১০ থেকে ১৪ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের একমাত্র কারণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম। তাঁর দেওয়া পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর আগেই এপ্রিল মাসে লোডশেডিং পরিস্থিতি নাজুক ছিল। এপ্রিল মাসে সর্বোচ্চ দৈনিক লোডশেডিং ছিল ৪১ হাজার কিলোওয়াট ঘণ্টা, জুলাইয়ে ৩২ হাজার এবং আগস্টে ৫৩ হাজার কিলোওয়াট ঘণ্টা।

‘ডলার আছে, নেই ক্রয়ের সময়সূচি’

সরকারের পক্ষ থেকে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নেই—এমন বক্তব্যও সঠিক নয় বলে দাবি করেন নাহিদ ইসলাম। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় ৩৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ প্রায় ৩২ বিলিয়ন ডলার।

এ ছাড়া ১ থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত দেশে ৯১৫ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪২ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

নাহিদ ইসলামের ভাষায়, ‘বাস্তবে ডলার আছে। নেই ক্রয়ের সময়সূচি। সময়সূচিভিত্তিক ক্রয় পরিকল্পনা।’

তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বছরের প্রথম কয়েক মাস জ্বানি আমদানি হলেও পরে প্রকৃত চাহিদার ভিত্তিতে ক্রয়প্রক্রিয়া সচল রাখা হয়নি। সেখান থেকেই সংকটের শুরু।

মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনাল নিয়েও প্রশ্ন

জ্বালানি সংকটের আরেকটি কারণ হিসেবে মহেশখালীর এলএনজি সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যার কথা উল্লেখ করেন নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, ২১ জুলাই মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) আগুন লাগার পর দৈনিক ৫১ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। ৫ আগস্ট আংশিক সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়। অর্থাৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হতে ১৫ দিন সময় লাগে।

এ ঘটনায় স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়ে নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন তোলেন, রক্ষণাবেক্ষণে কোনো ত্রুটি ছিল কি না এবং এ বিষয়ে স্বাধীন তদন্ত হয়েছে কি না। তদন্ত হয়ে থাকলে প্রতিবেদন প্রকাশের দাবিও জানান তিনি।

‘সরকারি খাতকে অকার্যকর দেখিয়ে বেসরকারিকরণ’

নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, প্রথমে সরকারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ করতে দেওয়া হবে না, এরপর সংকট তৈরি হলে বলা হবে সরকারি খাত সক্ষম নয়। পরে বেসরকারি অলিগার্কদের হাতে লাইসেন্স তুলে দেওয়া হবে। বিদ্যুৎ বিতরণেও একই কৌশল নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

ভুতুড়ে বিল ও জালিয়াতির অভিযোগকে সামনে এনে পরে বিতরণব্যবস্থা বেসরকারিকরণের যুক্তি তৈরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এলপিজি খাতের উদাহরণ টেনে নাহিদ ইসলাম বলেন, বেসরকারি আমদানিকারকদের হাতে খাতটি ছেড়ে দেওয়ার পর সিলিন্ডারের দাম কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, তা সাধারণ মানুষ টের পেয়েছে। একই প্রক্রিয়ায় এখন ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেন আমদানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

সংকট মোকাবিলায় ১৫ দফা প্রস্তাব

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ১৫ দফা প্রস্তাব তুলে ধরেছেন নাহিদ ইসলাম। এর মধ্যে রয়েছে দ্রুত বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া স্থগিত করে উন্মুক্ত অংশীজন আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক দরপত্রের সময়সীমা ১০ দিন থেকে আবার ৪২ দিনে ফিরিয়ে নেওয়া।

তিনি বিপিসির সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর সময়ের ক্রয় শিডিউল দ্রুত অনুমোদনের পাশাপাশি প্রকৃত চাহিদা যাচাই করে পরবর্তী চার থেকে ছয়টি অর্থনৈতিক প্রান্তিকের ক্রয় ক্যালেন্ডার প্রকাশের প্রস্তাব দেন। মহেশখালীর এফএসআরইউ দুর্ঘটনার স্বাধীন কারিগরি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশেরও দাবি জানান তিনি।

বিপিসির একচেটিয়া ব্যবসা ভাঙতে প্রতিযোগিতামূলক উন্মুক্ত দরপত্র, একাধিক অংশীদার, স্বচ্ছ জবাবদিহি এবং রাষ্ট্রের কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার প্রস্তাব দেন তিনি।

পরিশোধিত তেল আমদানির পরিবর্তে অপরিশোধিত তেল আমদানির অনুমতি দেওয়ারও প্রস্তাব দিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। এ ক্ষেত্রে আমদানিকারকদের নিজস্ব রিফাইনারি স্থাপনের শর্ত রাখার কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি জানান।

ক্যাপাসিটি চার্জের নিরীক্ষার দাবি

ক্যাপাসিটি চার্জের পূর্ণাঙ্গ নিরীক্ষারও দাবি জানিয়েছেন নাহিদ ইসলাম। প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকৃত বিনিয়োগের বিপরীতে কত অর্থ দেওয়া হয়েছে, তা যাচাই এবং বিনিয়োগের চেয়ে বেশি অর্থ তুলে নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর পেমেন্ট বন্ধের প্রস্তাব দেন তিনি।

তাঁর দাবি, এক ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও বছরে ৪৪ হাজার থেকে ৪৮ হাজার কোটি টাকা চলে যাচ্ছে। অন্যদিকে আইপিপিগুলোর কাছে পিডিবির বকেয়া ২৭ হাজার থেকে ৫০ হাজার কোটি টাকা। এ খাতে দায়মুক্তি আইন অবিলম্বে বাতিলেরও দাবি জানান তিনি।

স্মার্ট মিটার ও সৌরবিদ্যুতে জোর

বিদ্যুৎ বিলে স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক করার কথা বলেছেন নাহিদ ইসলাম। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ খাতে সিস্টেম লস প্রায় ৯ শতাংশ এবং গ্যাসে ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। সিস্টেম লসের সঙ্গে চুরির সম্পর্ক রয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, এ ধরনের অনিয়মে বিদ্যুৎ বিভাগের বিভিন্ন স্তরের মানুষ জড়িত।

এলপিজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে ফিরিয়ে আনা, নতুন ব্যবসায়ী যুক্ত করে একচেটিয়া ব্যবসা ভাঙা এবং বাসাবাড়ির গ্যাস ব্যবস্থায় চুরি কমাতে বিকল্প ব্যবস্থায় রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের প্রস্তাব দেন তিনি।

এলএনজি সরবরাহ বাড়াতে মহেশখালীর বাইরে তৃতীয় ও চতুর্থ এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনেরও প্রস্তাব দেন নাহিদ ইসলাম। একই সঙ্গে সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তি (পিএসসি) আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে উন্নীত করার কথা বলেন।

সৌরবিদ্যুৎকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য করতে প্যানেল, কনভার্টার, ব্যাটারি ও সৌরবিদ্যুৎচালিত যন্ত্রপাতির ওপর শুল্ক শূন্যে নামানোর প্রস্তাবও দিয়েছেন তিনি। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের দৃশ্যমান লক্ষ্য নির্ধারণের আহ্বান জানান তিনি।

‘সরকারের প্রথম দায়িত্ব জনগণের প্রতি’

নাহিদ ইসলাম বলেন, জ্বালানি খাত সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত। এ খাতে ভুল সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষার্থী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপর।

তাঁর ভাষ্য, সরকারের প্রথম দায়িত্ব জনগণের প্রতি, কোনো ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর প্রতি নয়। আগের সরকার এই নীতি ভুলে গিয়েছিল অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিএনপি সরকারও একই পথে এগোচ্ছে।

নাহিদ ইসলামের ভাষায়, ‘মাফিয়া তোষণের মূল্য বাংলাদেশ একবার দিয়েছে, আর নয়।’

ভুল সিদ্ধান্ত, ব্যর্থতা ও অলিগার্ক তোষণের নীতির বিরুদ্ধে এনসিপি অবস্থান নেবে বলেও জানান তিনি।

সূত্র: গণমাধ্যমে পাঠানো নাহিদ ইসলামের বক্তব্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here