আন্তর্জাতিক নিউজডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশের তারিখ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আপডেটের তারিখ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইরানের ২৭টি এয়ারলাইনসের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞাকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বলে আখ্যা দিয়েছে তেহরান। দেশটির দাবি, এসব নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে সমষ্টিগত শাস্তি আরোপ করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের (ইউএন) নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো এক চিঠিতে এ অভিযোগ করেছেন জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত গোলামহোসেইন দারজি। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়েছে।
চিঠিতে দারজি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা একটি দেশের বিমান খাতকে লক্ষ্য করে দেওয়া হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তার অভিযোগ, এসব পদক্ষেপ মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল। একই সঙ্গে নিষেধাজ্ঞাগুলো জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতির স্পষ্ট লঙ্ঘন বলেও দাবি করেন তিনি।
আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগ
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া চিঠিতে ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে মানবাধিকার আইন এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতাও উপেক্ষা করা হয়েছে।
দারজির ভাষ্য, ইরানের বিমান খাতকে লক্ষ্য করে এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে সাধারণ মানুষও এর প্রভাবের মুখে পড়তে পারেন।
ইরানের বিমান খাতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পরই জাতিসংঘে এ অভিযোগ তুলল তেহরান।
এর আগেও ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বলেছিল ইরান
এর আগে গত আগস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইরানের বিরুদ্ধে ‘এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কঠোর অর্থনৈতিক অভিযান’ চালানোর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকি নাকচ করে দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি বলেন, ব্যর্থ নীতির ওপর জোর দেওয়া হলে তা আরও পরাজয় ডেকে আনবে এবং ইরানিদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আরও শত্রুতা তৈরি করবে।
তিনি আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ বিশ্ব অর্থনীতি এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি তৈরি করছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও জটিল হয়ে উঠছে।
সূত্র: ইরনা













