নিজস্ব প্রতিবেদক | BD Views Bangla
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৬
নিরীক্ষা কাজে অসদাচরণের দায়ে তিন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টকে সংবিধিবদ্ধ (স্ট্যাটিউটরি) অডিট কাজ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)। একই সঙ্গে তাদের মোট ১৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আইসিএবির তদন্ত ও শৃঙ্খলা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ২০২৬ সালের ১৬ জুন অনুষ্ঠিত আইসিএবির কাউন্সিল সভায় শাস্তির সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়। সিদ্ধান্তটি ৬ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে।
যারা শাস্তি পেয়েছেন
আইসিএবির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—
- সলিম উল্লাহ বাহাদুর, এম আই চৌধুরী অ্যান্ড কোং-এর পার্টনারকে ১৮ মাসের জন্য সংবিধিবদ্ধ অডিট কাজ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাকে ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
- মো. কামরুল হাসান, মাহমুদ সবুজ অ্যান্ড কোং-এর পার্টনারকে ১২ মাসের জন্য বরখাস্ত এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
- মো. ফরহাদ হোসাইন সুমন, কে এম হাসান অ্যান্ড কোং-এর পার্টনারকে ১২ মাসের জন্য বরখাস্ত এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
আইসিএবির নির্দেশনা অনুযায়ী, তিন মাসের মধ্যে জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে বরখাস্তের মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়বে। এরপরও জরিমানা পরিশোধ না করলে সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত বরখাস্তের আদেশ বহাল থাকবে।
তালিকাভুক্ত কোম্পানির অডিটে প্রভাব
এম আই চৌধুরী অ্যান্ড কোং এবং মাহমুদ সবুজ অ্যান্ড কোং তাদের সংশ্লিষ্ট পার্টনারসহ তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংবিধিবদ্ধ নিরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর অডিটর প্যানেলে তালিকাভুক্ত।
এ ছাড়া কে এম হাসান অ্যান্ড কোং-ও বিএসইসির অডিটর প্যানেলে তালিকাভুক্ত। তবে প্রতিষ্ঠানটির পার্টনার ফরহাদ হোসাইন সুমন ব্যক্তিগতভাবে ওই প্যানেলভুক্ত নন।
বিএসইসির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, আইসিএবির এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কারণে বরখাস্ত থাকা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট পার্টনাররা তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির সংবিধিবদ্ধ অডিট প্রতিবেদন তৈরি করতে পারবেন না।















