Home আন্তর্জাতিক ইসরাইলি কারাগারে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ জার্মান অধিকারকর্মীর, অভিযোগ অস্বীকার কর্তৃপক্ষের

ইসরাইলি কারাগারে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ জার্মান অধিকারকর্মীর, অভিযোগ অস্বীকার কর্তৃপক্ষের

0
8
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ছিল জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ: রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা

জার্মানির নাগরিক ও মানবাধিকারকর্মী আনা লিডকে (২৫) অভিযোগ করেছেন, গাজাগামী একটি ত্রাণবাহী জাহাজে থাকা অবস্থায় ইসরাইলি বাহিনীর হাতে আটক হওয়ার পর কারাগারে তিনি একাধিকবার জোরপূর্বক নগ্ন তল্লাশি ও যৌন নির্যাতনের শিকার হন।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শরতে ইউরোপ থেকে গাজার উদ্দেশে মানবিক সহায়তা নিয়ে যাত্রা করা গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা-র সদস্য ছিলেন আনা। আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে ইসরাইলি বাহিনী জাহাজটি আটক করে এবং তাকে পাঁচ দিন আটক রাখে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ঘটনার বিষয়ে ইসরাইলের অ্যাটর্নি জেনারেল, কারা কর্তৃপক্ষের আইনি উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার কাছে আনুষ্ঠানিক ফৌজদারি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আনা লিডকে দাবি করেন, এই নির্যাতনের উদ্দেশ্য ছিল ফিলিস্তিনপন্থী অধিকারকর্মীদের ভয় দেখানো এবং তাদের নীরব করে দেওয়া।

তার ভাষ্য, “তারা আমাদের ইচ্ছাশক্তি ভেঙে দিতে এবং এমন মানসিক আঘাত দিতে চায়, যাতে আমরা আর কখনও ফিলিস্তিন নিয়ে কথা না বলি।”

আনার আইনজীবী মুনা হাদ্দাদ বলেন, এই অভিযোগ ইসরাইলি কারাগারে বন্দিদের প্রতি আচরণ নিয়ে বিদ্যমান উদ্বেগের বিষয়টিকে সামনে নিয়ে এসেছে। তিনি আরও দাবি করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বন্দিদের বিরুদ্ধে যৌন সহিংসতার অভিযোগ বেড়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১০ অক্টোবর গিভন কারাগারে স্থানান্তরের পর আনার সঙ্গে নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, পুরো ঘটনাটি কারাগারের নিরাপত্তা ক্যামেরায় ধারণ হয়ে থাকতে পারে।

এদিকে, দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে কিছু দেশে ইসরাইলি কারাগারে আটক বিদেশি নাগরিকদের সঙ্গে আচরণ নিয়ে তদন্তও শুরু হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

তবে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী ও কারা কর্তৃপক্ষ (আইপিএস) এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। কারা কর্তৃপক্ষের এক মুখপাত্রের দাবি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন এবং তাদের কর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন বা পদ্ধতিগত নির্যাতনের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here