Home সর্বশেষ সংবাদ হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি অভিযানে ট্রাম্পের ‘সবুজ সংকেত’ ছিল: অ্যাক্সিওস

হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি অভিযানে ট্রাম্পের ‘সবুজ সংকেত’ ছিল: অ্যাক্সিওস

সামরিক অভিযানের আগে ওয়াশিংটনের সমর্থন চান সৌদি যুবরাজ; নতুন করে আঞ্চলিক যুদ্ধের শঙ্কা

0
22
হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি অভিযানে ট্রাম্পের ‘সবুজ সংকেত’ ছিল: অ্যাক্সিওস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা

ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিগত সমর্থন ও অনুমোদন ছিল বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে মার্কিন প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানায়, অভিযানের আগে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ওয়াশিংটনকে পরিকল্পনার বিষয়ে অবহিত করেন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছ থেকে সমর্থন নেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত সোমবার সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি বিমান হামলা এবং এর জবাবে সৌদি আরবের লক্ষ্য করে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ২০২২ সালের পর সবচেয়ে বড় আন্তঃসীমান্ত সামরিক উত্তেজনার ঘটনা। এর ফলে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

অ্যাক্সিওসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে বড় ধরনের সংঘাত শুরু হলে তা ওয়াশিংটন ও তেহরানের চলমান উত্তেজনাকেও আরও তীব্র করে তুলতে পারে। এ কারণেই রিয়াদ আগেভাগে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক ও সামরিক সমর্থন নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়।

ট্রাম্প-এমবিএস ফোনালাপের দাবি

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে সৌদি আরব হুথিদের কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের সমর্থন চায়।

এর অংশ হিসেবে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেন। পরে রুবিও সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেন।

এরপর গত শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে সরাসরি ফোনালাপ হয়। সেখানে ইয়েমেনে সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে সমর্থন চাইলে ট্রাম্প তাতে সম্মতি দেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

তবে এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

উত্তেজনার সূচনা যেভাবে

অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ১০ দিন আগে ইরানের মাহান এয়ার-এর একটি বিমান হুথি নিয়ন্ত্রিত সানা বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে সেটি হুথি নেতাদের একটি প্রতিনিধিদলকে নিয়ে তেহরানে যায়।

মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, মাহান এয়ার ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-সংশ্লিষ্ট একটি নিষিদ্ধ বিমান সংস্থা এবং ওই বিমানে হুথিদের জন্য ক্ষেপণাস্ত্রের যন্ত্রাংশ ও সামরিক বিশেষজ্ঞও ছিলেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পরবর্তীতে বিমানটি ইয়েমেনে ফেরার সময় সৌদি বিমানবাহিনী সানা বিমানবন্দরে ব্যাপক হামলা চালিয়ে রানওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এতে বিমানটি বিকল্প হিসেবে হোদেইদাহ বিমানবন্দরে অবতরণ করতে বাধ্য হয়।

এর জবাবে হুথিরা সৌদি আরবের আভা বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দাবি করে এবং সৌদি আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারির ঘোষণা দেয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here