আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশিত: ২০ জুলাই ২০২৬
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির সংসদ ভবন অভিমুখে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকায় ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন আন্দোলনকারীরা।
সোমবার (২০ জুলাই) সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে যন্তর মন্তর এলাকা থেকে সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থকেরা। এ সময় পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষের মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য এবং র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (র্যাফ) মোতায়েন করা হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে অনেক আন্দোলনকারী সড়কে বসে অবস্থান নেন। পরে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, আন্দোলনের ছবি ও ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে সংসদ ভবনসংলগ্ন এলাকায় সাময়িকভাবে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া সিগন্যাল জ্যামার ব্যবহারের কারণেও মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে বলে তারা অভিযোগ করেন। তবে এসব দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনকে কেন্দ্র করে সংসদ ভবনের বিভিন্ন প্রবেশপথে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল, সংসদ ভবনের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তা সত্ত্বেও সকাল থেকেই যন্তর মন্তর এলাকায় বিপুলসংখ্যক সমর্থক জড়ো হন। পরে তারা সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয় এবং পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
দ্রষ্টব্য: বিক্ষোভকারীদের ইন্টারনেট বন্ধের অভিযোগ এবং অন্যান্য কিছু দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সূত্র: বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যম, দিল্লি পুলিশের বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য।
তারিখ: ২০ জুলাই ২০২৬












