নিজস্ব প্রতিবেদক | বিডি ভিউজ বাংলা
দেশের অধিকাংশ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেলার মাঠ না থাকায় শিশু-কিশোরদের মধ্যে স্মার্টফোন ও অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের প্রতি আসক্তি উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। শিক্ষাবিদরা বলছেন, মাঠের অভাবে শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সৃজনশীল বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে।
রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও মিরপুরের কয়েকটি পরিবারের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, খেলার সুযোগ না থাকায় শিশুরা দিনের বড় একটি সময় মোবাইল ফোন, ট্যাব ও স্মার্ট টিভিতে কাটাচ্ছে। অনেকেই অবসর সময়ের প্রধান সঙ্গী হিসেবে বেছে নিচ্ছে ডিজিটাল ডিভাইস।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেলার মাঠ বাধ্যতামূলক হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৯৮ শতাংশেরই নিজস্ব খেলার মাঠ নেই। এছাড়া রাজধানীর ৩৪২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৫২টিতেও কোনো খেলার মাঠ নেই।
শিক্ষাবিদদের মতে, খেলাধুলা শুধু বিনোদনের বিষয় নয়; এটি শিশুদের শারীরিক সুস্থতা, মানসিক বিকাশ, সামাজিক দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণ তৈরির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই মাঠবিহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা পরিবেশ বলা যায় না।
সরকার ইতোমধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ উন্নয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। পাশাপাশি নতুন বেসরকারি বিদ্যালয়ের অনুমোদনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট মানের খেলার মাঠ বাধ্যতামূলক করার বিষয়েও কাজ চলছে।












