Home অর্থনীতি বন্ধ হয়নি ডিবিএল পোশাক কারখানা, উৎপাদন স্বাভাবিক : বিজিএমইএ

বন্ধ হয়নি ডিবিএল পোশাক কারখানা, উৎপাদন স্বাভাবিক : বিজিএমইএ

0
6
বন্ধ হয়নি ডিবিএল পোশাক কারখানা, উৎপাদন স্বাভাবিক : বিজিএমইএ

ন্যাশনাল নিউজ ডেস্ক
বিডি ভিউজ বাংলা

ডিবিএল গ্রুপসহ দেশের বিভিন্ন পোশাক কারখানা বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে—এমন প্রচারিত খবরকে বিভ্রান্তিকর ও তথ্যভিত্তিক নয় বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

সোমবার (৩ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিএমইএ মহাসচিব মেজর জেনারেল ড. মো. সাহেদুল ইসলাম (অব.) জানান, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহে কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও সরকারের সহযোগিতায় অধিকাংশ সদস্য কারখানা উৎপাদন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের বেশিরভাগ পোশাক কারখানা প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সক্ষমতায় উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।

বিজিএমইএ জানায়, ৫ আগস্টের সরকারি ছুটি এবং সাপ্তাহিক ছুটির কারণে অনেক কারখানা সাময়িকভাবে তাদের কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে। পরবর্তীতে উৎপাদন পরিকল্পনা সমন্বয়ের মাধ্যমে এই ঘাটতি পূরণ করা হবে।

সংগঠনটি স্পষ্ট করে জানিয়েছে, গ্যাস সংকটের সঙ্গে এসব ছুটির কোনো সম্পর্ক নেই এবং সাময়িক কার্যক্রম স্থগিত করাকে ‘কারখানা বন্ধ’ হিসেবে উপস্থাপন করা সঠিক নয়।

ভুল তথ্যের নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা

বিজিএমইএ সতর্ক করে বলেছে, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো পোশাক কারখানা বন্ধের মতো সংবাদ প্রকাশ করলে দেশি-বিদেশি ক্রেতা ও ব্যবসায়িক অংশীদারদের কাছে নেতিবাচক বার্তা যেতে পারে।

এতে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি এই খাতের সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত লাখো শ্রমিকের কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

সংগঠনটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি তৈরি পোশাক খাতের স্বার্থে দায়িত্বশীল ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছে।

ডিবিএল গ্রুপ নিয়ে গুজব

এর আগে সোমবার দুপুরে বিজিএমইএর একটি অফিসিয়াল প্রেস রিলিজ গ্রুপে ‘ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে’—এমন একটি বার্তা ছড়িয়ে পড়ে।

ওই বার্তায় দাবি করা হয়, ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রায় ২৫ হাজার শ্রমিকের চাকরি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

তবে বিজিএমইএ জানিয়েছে, এ ধরনের তথ্য সঠিক নয় এবং যাচাই ছাড়া এমন সংবাদ প্রচার পোশাক শিল্পের জন্য ক্ষতিকর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here