Home সর্বশেষ সংবাদ বাংলাদেশের পোলট্রি মুরগির মাংসে অতিরিক্ত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, আন্তর্জাতিক গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য

বাংলাদেশের পোলট্রি মুরগির মাংসে অতিরিক্ত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, আন্তর্জাতিক গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য

0
6
বাংলাদেশের পোলট্রি মুরগির মাংসে অতিরিক্ত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, আন্তর্জাতিক গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য

বাংলাদেশের পোলট্রি মুরগির মাংসে অতিরিক্ত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল, আন্তর্জাতিক গবেষণায় উদ্বেগ

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ, ভারত ও ভিয়েতনামের পোলট্রি মুরগির মাংসে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ডের তুলনায় অতিরিক্ত মাত্রায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। লন্ডনের রয়্যাল ভেটেরিনারি কলেজ (RVC)-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, তিন দেশের মুরগির মাংসের কিছু নমুনায় অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের মাত্রা বৈশ্বিকভাবে গ্রহণযোগ্য সীমার চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল হলো এমন ওষুধ বা রাসায়নিক পদার্থ, যা ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক ও অন্যান্য ক্ষতিকর অণুজীব ধ্বংস করতে বা তাদের বৃদ্ধি রোধ করতে ব্যবহৃত হয়। গবেষকদের মতে, মাংস উৎপাদনকারী প্রাণীতে এসব ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারই এ সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ।

গবেষণায় বাংলাদেশ, ভারত ও ভিয়েতনামের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অংশীদাররা যুক্ত ছিলেন। ২০২১–২০২২ সালে তিন দেশ থেকে সংগ্রহ করা ৫৫৮টি মুরগির বুকের মাংসের নমুনা সিঙ্গাপুরের নানইয়াং টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটিতে পরীক্ষা করা হয়। সেখানে ৬৯ ধরনের ভেটেরিনারি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের উপস্থিতি যাচাই করা হয় এবং মূল্যায়নে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মানদণ্ড অনুসরণ করা হয়।

নমুনাগুলোর একটি অংশ সংগ্রহ করা হয় বাজারের বিক্রয়কেন্দ্র থেকে এবং বাকি অংশ নেওয়া হয় বাজারজাতের উপযোগী মুরগি থাকা খামার থেকে।

গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, বিক্রয়কেন্দ্র থেকে সংগ্রহ করা নমুনার ৩ দশমিক ৭ থেকে ৮ দশমিক ৬ শতাংশে নিরাপদ সীমার চেয়ে বেশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল পাওয়া গেছে। অথচ একই সময়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে এ হার ছিল মাত্র ০ দশমিক ০৫ থেকে ০ দশমিক ০৯ শতাংশ

গবেষকদের ধারণা, উন্নয়নশীল দেশগুলোর কিছু ক্ষেত্রে জবাইয়ের ঠিক আগ মুহূর্ত পর্যন্ত অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধ ব্যবহার করা হয়ে থাকতে পারে। এছাড়া মুরগির খাদ্য ও পানির মাধ্যমেও এসব ওষুধের অবশিষ্টাংশ ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

গবেষণার অন্যতম গবেষক অধ্যাপক পেলিগ্যান্ড বলেন, এশিয়াজুড়ে একই মানদণ্ডে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অবশিষ্টাংশ পরিমাপের ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা। এর মাধ্যমে ভেটেরিনারি ও খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর নীতিমালা প্রণয়নে সহায়তা মিলবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গবেষণায় অর্থায়ন করেছে ওয়ান হেলথ পোলট্রি হাব এবং ইউকে রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন (UKRI) গ্লোবাল চ্যালেঞ্জেস রিসার্চ ফান্ড

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here