নিজস্ব প্রতিবেদক | BD Views Bangla
প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬ | আপডেট: ৩০ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার মূল সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা বা ই-রিকশা চলতে দেওয়া হবে না। তবে শহরের অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতে আটটি জোন করে এসব যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
রোববার (৩০ আগস্ট) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহদা বিন ওসমানের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী আবদুল মঈন খানের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী।
মূল সড়কে ই-রিকশা নয়
ই-রিকশা চলাচল ও নিবন্ধন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, মূল সড়কে ই-রিকশা চলতে দেওয়া হবে না। তবে ঢাকার অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোকে আটটি জোনে ভাগ করে এসব যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি জানান, ই-রিকশা চলাচলের ব্যবস্থা তিনটি ভাগে বিভক্ত থাকবে।
ঢাকায় দুই বা চার যাত্রীর ই-রিকশা
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় যেসব ই-রিকশাকে লাইসেন্স বা নিবন্ধন দেওয়া হবে, সেগুলোর যাত্রী ধারণক্ষমতা হবে দুই অথবা চারজন।
ছয়জন যাত্রী বহন করতে পারে—এমন কোনো ই-রিকশাকে ঢাকা সিটি করপোরেশনের নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে না বলেও জানান তিনি।
তবে গ্রামীণ এলাকা ও জেলা শহরের গ্রামীণ সড়কে দুই, চার ও ছয় যাত্রী বহন করতে সক্ষম ই-রিকশা নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে।
অনুমোদিত নকশা ছাড়া নিবন্ধন নয়
মীর শাহে আলম বলেন, ই-রিকশাগুলো অবশ্যই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) অথবা অন্য কোনো প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী তৈরি হতে হবে।
অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী তৈরি যানবাহনই নিবন্ধনের আওতায় আসবে বলে জানান তিনি।
নতুন নীতিমালা শিগগিরই
ই-রিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, নীতিমালাটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। ভেটিং শেষ হওয়ার পর এক সপ্তাহের মধ্যে অথবা পরের সপ্তাহে যত দ্রুত সম্ভব নীতিমালাটি জারি করা হবে।
নীতিমালা জারি হলে আইন অনুযায়ী ই-রিকশা ও বৈদ্যুতিক রিকশাগুলোকে একটি নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।















