আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
প্রকাশিত: ২১ জুলাই ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে গত দুই সপ্তাহে প্রায় ১০০ জন মার্কিন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন বলে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন)। সোমবার (২০ জুলাই) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল।
তিনি জানান, গত ৭ জুলাই থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা শুরুর পর বিভিন্ন অভিযানে এসব সেনা আহত হন। আহতদের মধ্যে প্রায় ৯৬ শতাংশ ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে নিজ নিজ দায়িত্বে ফিরে গেছেন। অধিকাংশের আঘাত ছিল তুলনামূলক হালকা, বিশেষ করে মস্তিষ্কে আঘাত বা কনকাশন।
মার্কিন সেনাদের হতাহত নিয়ে তথ্য গোপনের অভিযোগ ওঠার পরই ট্রাম্প প্রশাসন এ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।
এর আগে জর্ডানে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলায় নিহত দুই সেনার পরিচয়ও প্রকাশ করে পেন্টাগন। নিহতরা হলেন হাওয়াইয়ের ২৫ বছর বয়সী টাইলার জেমস ফিহান এবং টেক্সাসের ১৯ বছর বয়সী ইসাবেলা গঞ্জালেস। একই ঘটনায় আরও এক সেনার মরদেহ উদ্ধারে তল্লাশি চলছে। এছাড়া উত্তর ইরাকে আরও একজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।
এদিকে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ধারাবাহিক বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, তারা অভিযানের দশম ধাপ সম্পন্ন করেছে।
অন্যদিকে, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, বাহরাইনে মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং অন্যান্য কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে ইরানের হামলার সক্ষমতা কমিয়ে আনা।
বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রেও জ্বালানির দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
তথ্যসূত্র: ফিন্যান্সিয়াল টাইমস, পেন্টাগন।










