আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বিডি ভিউজ বাংলা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের বন্দর আব্বাসসহ দেশটির একাধিক সামরিক স্থাপনায় নতুন করে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে পরিচালিত অভিযানে ইরানের বিভিন্ন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অভিযানে ইরানের সামরিক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন-সংশ্লিষ্ট স্থাপনা এবং উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বন্দর আব্বাস এলাকায় অবস্থিত কয়েকটি সামরিক স্থাপনাও হামলার আওতায় এসেছে। একই সঙ্গে গ্রেটার তুনব দ্বীপে ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতেও হামলার দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আলোচনায় অগ্রগতি না হলে ভবিষ্যতে অতিরিক্ত সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী, বেসামরিক জনগণের জন্য অপরিহার্য স্থাপনায় হামলা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের স্থাপনায় ইচ্ছাকৃত হামলা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রাণহানি ও বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।










