Home জাতীয় ‘জুলাই শহীদ দিবস’ ঘিরে সারা দেশে জোরদার নিরাপত্তা, সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

‘জুলাই শহীদ দিবস’ ঘিরে সারা দেশে জোরদার নিরাপত্তা, সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

0
5
‘জুলাই শহীদ দিবস’ ঘিরে সারা দেশে জোরদার নিরাপত্তা, সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক | বিডি ভিউজ বাংলা

‘জুলাই শহীদ দিবস’ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সম্ভাব্য নাশকতা, বিশৃঙ্খলা কিংবা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, এপিবিএন, আনসার ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রকাশ্য টহলের পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি, অতিরিক্ত চেকপোস্ট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ডগ স্কোয়াড এবং প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে অনুষ্ঠানস্থল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে বিশেষ নিরাপত্তাবলয়ের আওতায় আনা হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রতিরোধে সাইবার প্যাট্রোলিংও জোরদার করা হয়েছে।

রাষ্ট্রীয়ভাবে দিবসটি পালনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানায়, সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মসূচিকে ঘিরে কোনো সুযোগসন্ধানী গোষ্ঠী যাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়েও সতর্ক নজরদারি রাখা হচ্ছে।

নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় রাজধানী, বিভাগীয় শহর, জেলা সদর, স্মৃতিস্তম্ভ, শহীদ স্মরণ কর্মসূচির স্থান এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন, নিয়মিত টহল এবং দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য কুইক রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে মোবাইল ও ফুট পেট্রোল বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত চেকপোস্ট স্থাপন করে যানবাহন ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি চালানো হচ্ছে। অনুষ্ঠানস্থল ও জনসমাগম এলাকায় দৃশ্যমান পুলিশি উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

র‌্যাব জানিয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে তাদের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। সম্ভাব্য বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক বস্তু শনাক্তে বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে ডিএমপির নিয়মিত সদস্যদের পাশাপাশি সোয়াট টিমও প্রস্তুত রয়েছে।

র‌্যাব আরও জানায়, প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজস্ব নেতৃত্বে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় রেখে দায়িত্ব পালন করবে। গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাদা পোশাকে সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলা ও মহানগর পর্যায়ে স্থানীয় বাস্তবতার ভিত্তিতে নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। নিয়মিত টহল বৃদ্ধির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও জনসমাগমস্থলে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী গোয়েন্দা তথ্য দ্রুত মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here